09639155660, 01708597651-2 ehealth@chahida.com.bd

সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রাকৃতিক খাবার

         প্রকৃতিতেই রয়েছে আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ।বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য একটি প্রাকৃতিক উপহার । খাদ্য খেতে আনন্দ হয়, শক্তি সঞ্চয় হয়, ক্ষয় পূরণ হয়। সুষম খাদ্য বিভিন্ন ধরনের রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়, দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সুষম খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম; কিন্তু পুষ্টিজ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অনভ্যাসের কারণে দৈনন্দিন জীবনে সুষম খাদ্যের তালিকা প্রস্তুত করা বা মেনে চলা প্রায়ই হয়ে ওঠে না। সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য একটি সুষম খাদ্য তালিকা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সবার আগে কোন খাদ্যে কী পরিমাণ উপাদান বা কোন খাদ্য কী পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে সেটা জানতে হবে। আবার এর সঙ্গে কোন উপাদান দেহে কী কাজ করে সে সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

❄ শর্করা জাতীয় খাদ্যঃ
পরিশোধিত শর্করা জাতীয় খাদ্যের পুষ্টিমান অপরিশোধিত শর্করা জাতীয় খাদ্যের চেয়ে কম। অর্থাৎ কলেছাঁটা চালের চেয়ে ঢেঁকিছাঁটা চাল অধিক উপকারী এবং লাল আটার কার্যকারিতা প্যাকেটজাত আটার চেয়ে বহুগুণে বেশি। আমরা থায়ামিন নামক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ঢেঁকিছাঁটা চালের মাধ্যমে পেয়ে থাকি। একই কথা খাটে লাল চিনি বা সাদা চিনির ক্ষেত্রেও, লাল চিনির পুষ্টিগুণ মেশিনে প্রস্তুতকৃত চিনির চেয়ে বেশি। আরও বেশি উপকারী হলো আখের গুড়।

❄ স্নেহ বা ফ্যাট জাতীয় খাদ্যঃ
প্রাণিজ স্নেহ জাতীয় পদার্থ বা অ্যানিমেল ফ্যাট যেমন মাখন বা ঘি দিয়ে প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিজ স্নেহ জাতীয় পদার্থ যেমন সয়াবিন বা সূর্যমুখী তেলের চেয়ে উচ্চ ক্যালরিসম্পন্ন। ফলে কেউ যদি দৈনন্দিন রান্নায় সব সময় ঘি বা মাখন বা পনির ব্যবহার করেন, তাহলে সে পরিবারের সদস্যরা সবসময়ই প্রয়োজনের চেয়ে অধিকমাত্রায় ক্যালরি গ্রহণ করবেন। সে কারণেই প্রাণিজ স্নেহ জাতীয় পদার্থ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে উদ্ভিজ স্নেহ জাতীয় পদার্থ যেমন—সয়াবিন, সূর্যমুখীর তেল, ভুট্টার তেল ব্যবহার করা শ্রেয়। ফাস্টফুডে মেয়োনিজ, পনির ব্যবহার করা হয় যেগুলো সবই প্রাণিজ চর্বি।

❄ আমিষ জাতীয় খাদ্যঃ
এর অন্যতম উৎস হলো মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শিমের বিচি, ডাল ইত্যাদি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণিজ প্রোটিন তুলনামূলকভাবে সহজপ্রাপ্য। তবে রেড মিট বা গরু, খাসির মাংসে প্রচুর পরিমাণে চর্বি থাকে, ফলে এগুলো বেশি পরিমাণে গ্রহণ করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব খাবার রান্না করার ওপরও পুষ্টিমান অনেকাংশে নির্ভরশীল। মনে রাখতে হবে, মাছ বা মাংস রান্নার সময় সেগুলো খুব বেশি কষালে খাদ্যের পুষ্টিমান কমে যায়। পুষ্টিমানের দিক দিয়ে সামুদ্রিক মাছ অত্যন্ত উন্নতমানের। বিশেষ করে কিছু কিছু সামুদ্রিক মাছে পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। সুতরাং আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ সংযোজন করলে ভালো হবে।

❄ শাকসবজি, ফলমূল ও পানিঃ
দেহের প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ শাকসবজি থেকে বেশি আসে। শাকসবজি ছাড়াও ফলমূল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ উদ্দেশ্যে প্রতিদিন একটা করে টকজাতীয় ফল খেতে হবে। কারণ ফলমূলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকে। ভিটামিন ‘সি’ রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। ফলমূলও হতে হবে টাটকা। প্যাকেটজাত ফলের রসে চিনি, কৃত্রিম রং ও ফ্লেভার ব্যবহার হয়, যা এর পুষ্টিগুণ কমিয়ে দেয়। সুতরাং এ ধরনের কৃত্রিম উপায়ে প্রস্তুত করা পরিশোধিত ফলের রসের চেয়ে সরাসরি ফল খাওয়া বেশি উপকারী।

সুস্থ ও সবল দেহের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানিও পান করতে হবে। অন্য কোনো সমস্যা না থাকলে দিনে কমপক্ষে ছয় থেকে আট গ্লাস পানি প্রয়োজন হয়।

তবে সারকথা হলো শুধু তালিকা বানানোই কাজ নয়; প্রয়োজন খাদ্য তালিকা ব্যবহারিক জীবনে সঠিকভাবে মেনে চলা। এর সঙ্গে প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা, সুঅভ্যাস গড়ে তোলা এবং মানসিক প্রশান্তি।

সুষম খাদ্য বিভিন্ন ধরনের রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়, দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সুষম খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম; কিন্তু পুষ্টিজ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অনভ্যাসের কারণে দৈনন্দিন জীবনে সুষম খাদ্যের তালিকা প্রস্তুত করা বা মেনে চলা প্রায়ই হয়ে ওঠে না। সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য একটি সুষম খাদ্য তালিকা থাকা অত্যন্ত জরুরী। সবার আগে কোন খাদ্যে কী পরিমাণ উপাদান বা কোন খাদ্য কী পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে সেটা জানতে হবে। আবার এর সঙ্গে কোন উপাদান দেহে কী কাজ করে সে সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

হার্ট এটাক,প্রতিরোধ ও প্রতিকার

           মানবদেহে মারাত্মক একটি সমস্যা হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক। চিকিৎসকের ভাষায় একে ‘করোনারি আর্টারি ডিজিজ’ বলে। যাকে আমরা সাধারণত হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়া বলে থাকি অথবা হার্ট ব্লক। রোগটি মূলত অতিরিক্ত কোলেস্টরল এবং ফ্যাটি প্লাকের কারণে হয়ে থাকে।

হৃদপিণ্ডের রক্ত প্রবাহী ধমনী সরু হয়ে যাওয়া বা ব্লক হয়ে গেলে পুরো দেহে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তের সঙ্গে অক্সিজেন প্রবাহ কমে আসে। এসব কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়, যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই।

আরো সহজভাবে বললে বলতে হয়, আমাদের পুরো শরীরে অনবরত রক্ত সরবরাহ করে চলেছে হৃৎপিণ্ড। রক্তের মাধ্যমে পুষ্টি পেয়ে বেঁচে থাকে আমাদের শরীরের কোষগুলো। করোনারি আর্টারি নামে হৃৎপিণ্ডের গায়ে থাকে দুটি ছোট ধমনী। এরাই হৃৎপিণ্ডে পুষ্টির যোগান দেয়। কোনো কারণে এই করোনারি আর্টারিতে যদি ব্লক সৃষ্টি হয় তাহলে যে এলাকা ঐ আর্টারি বা ধমনীর রক্তের পুষ্টি নিয়ে চলে সে জায়গার হৃৎপেশি কাজ করে না। তখনই হার্ট এটাক হয়ে থাকে। এর আরেক নাম মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন।

❄ হার্ট ব্লকের কারণঃ
ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ
হৃদপিণ্ডের প্রদাহ
বাধর্ক্য
হৃদপিণ্ডের অনুপ্রবেশ (সারকোয়ডোসিস, নিওপ্লাজম)
ঔষধ
হৃদপিণ্ডে আঘাত
জন্মগত

❄  হার্ট ব্লকের লক্ষণঃ
হৃদপিণ্ডে বেশি পরিমাণে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা হয়।
আস্তে আস্তে ব্যথা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে।
হাঁটার সময়, সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় বুকে ব্যথা হয়, থামলে ব্যথা কমে যায়।
দম নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়।
বুকে জ্বালাপোড়া ও ধড়ফড় করে।
গলা, কপাল ও মাথা ঘাম হওয়া।
নিচের দিক হেলে কিছু করার ও একটু ভারী কিছু বহনের সময় কষ্ট হয়।
খাবার হজম না হওয়ার মতো অস্বস্তি লাগে।

❄ হার্ট ব্লকের প্রতিরোধের জন্য যা করণীয়ঃ
প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করবেন।
তেল-চর্বি-মিষ্টি কম খাবেন।
সুষম খাবার খাবেন
প্রচুর শাকসবজী খাবেন
পরিমিত পানি পান করবেন
ধূমপান, মদ্যপান করবেন না
হার্ট ব্লকের কোনো কারণ জানা থাকলে যথাযথ চিকিৎসা করাবেন
উত্তেজনা পরিহার করুন।
শরীরের ওজন আদর্শ মাত্রায় রাখুন
চিকিৎসকের পরমর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক কোনো সংক্রামক রোগ নয়। এ রোগ শুধু ওষুধ খেয়ে বা অপারেশন করে ভালো হয় না। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির জন্য যেমন ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক দূর করতেও তেমনি মেশিন এবং মেডিসিন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাদ্য ও জীবনচর্চা অবশ্যই মানতে হয়। তাহলে এর থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

স্বাস্থ্য ও আমাদের জীবনব্যবস্থা

        আমরা সকলেই চাই নিজেদের স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে। কিন্তু আমাদের জীবন ব্যবস্থার কারণে আমরা সুস্থ থাকতে পারি নাহ। কর্মব্যস্ত জীবনে শরীরের প্রতি যত্নবান নেওয়া বেশির ভাগ মানুষেরক্ষেত্রেই সম্ভব হয়ে ওঠে না। এতে একদিকে যেমন তার আয়ু কমে যায়, তেমনি বাড়ে একাধিক রোগ। আমাদের সাদ ও সাধ্যের মধ্যে এমন ছোট-খাট কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো একটু মেনে চললেই আমাদের শরীর সুস্থ থাকে। এমনই কিছু বিষয় তুলে ধরা হচ্ছে…

❄ নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়াঃসুস্থ ও সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন পুষ্টি উপাদান। কিছু বিশেষ খাবার আছে যে খাবারগুলো স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা রাখে। তাই এই ক্ষেত্রে পালং শাক, ব্রকলি, রঙিন ফল, ডিম, বাদাম ও বিভিন্ন বীজ, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি, চিনি ছাড়া চা, তৈলাক্ত মাছ ও ডার্ক চকলেট এইসব নিয়মিত খাবার তালিকায় রাখুন।

❄ খাবার সময়মত খানঃ আপনি পুষ্টিকর খাবার খান নিয়মিত, সময়মত ঘুমান যতটুকু সম্ভব চিন্তামুক্ত থাকুন এবং পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন শরীর এর গঠন ঠিক রাখতে সকাল বিকেল মুখের রুচি বৃদ্ধির জন্য, ‘সিরাপ ‘পিউটন বা সিনকারা খেতে পারেন, এর পাশাপাশি প্রচুর ভিটামিন যুক্তখাবার খাবেন তাহলে আপনি ভাল সাস্থ্যর অধিকারী হতে পারবেন ঠিক মত খাওয়া দাওয়া ছাড়া কখনোই তা সম্ভব নয়

❄ নিয়মিত ব্যায়াম করুনঃ আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য আমাদের নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। প্রতিদিন নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট এক টানা হাঁটার চেষ্টা করতে পারেন। এছাড়া আরও করতে পারেন দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার ও অন্য যে কোনো ব্যায়াম যেগুলো ক্যালোরি ক্ষয় করে সেগুলো আমাদের সবই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কেননা নিয়মিত ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং লিবিডো বৃদ্ধি পায় যা স্বাস্থ্যের জন্য জরুরী।

❄ পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুনঃ আমাদের সুস্থ্য স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা। কেননা পরিছন্ন থাকা আমাদের একান্ত জরুরী। পরিছন্ন থাকার কারনে আমাদের স্বাস্থ্য ভাল থাকে এবং এতে করে শরীর ও মন খুব ভাল থাকে।

❄ প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুনঃ আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পানি পান করা। আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি উপস্থিত না থাকলে নানান রকমের সমস্যা দেখা দিতে পারে শরীরে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো আমাদের শরীরে লিবিডো কমে যাওয়া। তাই আমাদের সুস্থ্য স্বাস্থ্যের জন্য দিনে অন্তত ৮-৯ গ্লাসপানি পান করা উচিত।

❄ ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুনঃ আমাদের শরীরে ধূমপান ও মদ্যপান লিবিডো কমিয়ে দেয়। ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ধূমপানের কারনে নিকোটিন রক্ত জমাট বাধিয়ে ফেলে এবং রক্তচলাচল কমিয়ে দেয়। তাই আজ থেকে ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।

❄ ফল ও সবজি বেশি বেশি খানঃ পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি খাদ্য তালিকায় রাখুন। তবে একটা কথা একবারে বেশি করে খাওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে বার বার খাওয়া শরীরের জন্য বেশ ভাল।

❄ নিয়মিত ঘুমানঃ আমাদের রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া উচিত। খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর শোওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভাল। আমাদের সুস্বাস্থ্য ও ফিগারের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত ঘুম প্রয়োজন। আমাদেরকে দিনে শোওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

❄ নিয়মিত হাঁটুনঃ আপনি প্রতিদিন সমতল জায়গায় হাঁটার চেষ্টা করতে পারেন। একটা কথা মনে রাখবেন, হাঁটা সর্বোৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা হাঁটার অভ্যাস করুন। এতে করে আপনার শরীর ও মন ২টাই খুব ভাল থাকবে।
এভাবে সব সময় সুস্থ থাকতে আজ থেকে তৈরী করুন নতুন জীবনব্যবস্থা।